Menu

Special Report

Report on Pre-Election Violence Ahead of the Thirteenth National Parliamentary Election

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব সহিংসতার প্রতিবেদন

২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার এক উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা জনমনে এক ধরণের আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দলীয় ও অন্তর্কোন্দলের জেরে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি নারীদের ওপর হামলা এবং রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাগুলো নির্বাচনী পরিবেশকে করে তুলেছে কণ্টকাকীর্ণ। এছাড়া ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগ ও আইনি জটিলতা সত্ত্বেও প্রার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নির্বাচনে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও আইনি চ্যালেঞ্জসমূহের মধ্যে এ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি ১৫ টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, ১৫০ টির অধিক স্থানীয় পত্রিকা এবং জেলা প্রতিনিধিদের থেকে প্রাপ্ত খবর ও তথ্য অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তফসিল ঘোষণার পর হতে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দল এবং দলের মনোনীত প্রার্থী ও বঞ্চিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ, মহাসড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, বাড়িঘর–কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তফসিল ঘোষনার পর নির্বাচনকেন্দ্রীক অন্তত ১৬২ টি সহিংসতার ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৯৭০ জন এবং নিহত হয়েছেন ৫ জন ।

তফসিল ঘোষনার পর নির্বাচনী সহিংসতার ১৬২টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৪০টি ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩৩৪ জন ও নিহত ০৩ জন । এছাড়া ৫০ টি বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ৫৬০ জন ও নিহত ০১ জন, ০২ টি বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ০২ জন, ০৮টি বিএনপি-এনসিপি মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ৩৯ জন জন এবং ০৮টি বিএনপি-অন্যান্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ৩২ । বিভিন্ন দলের মধ্যে ০২ টি ঘটনায় আহত হয়েছেন ০৩ জন । নিহত ০৫ জনের মধ্যে বিএনপির ০৩ জন ও জামায়াতের ১ জন, ইনকিলাব মঞ্চের ১ জন।

এছাড়াও এই সময়ে নির্বাচনী সহিংসতায় কমপক্ষে ২০ জনের অধিক গুলিবিদ্ধ এবং ৫০ এর অধিক বাড়ি-ঘর, যানবাহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

বিস্তারিত রিপোর্ট পড়ুন নিচের ফাইলে.... 

No Data Found!